গত দশ বছরে আমার এমন কোন ড্রইংরুমের কথা মনে পড়ছে না, যেখানে টিভি ছিল না।এমন কি অনেক ব্যচেলরদের ফ্ল্যাটেও এখন টিভি আর দশটা জিনিসের মতই খুব সাধারণ একটা জিনিস।টিভিতে আসলে আমরা কি দেখি?স্কুল ফেরত বাচ্চারা বিকালে কার্টুন ,সন্ধ্যায় বাড়ির কর্তা নিউজ ,তার কিছুক্ষণ বাদে গিন্নি সিরিয়াল আর মধ্যরাতে ইউরোপের ফুটবল লীগ কিংবা এর সাথে যার যার পছন্দের চ্যানেলে মুভি,ডকুমেন্টারি কিংবা খেলা-টকশো।টিভি অবশ্যই বিনোদন কিংবা তথ্যের অনেক বড় একটা উৎস কিন্তু সেটা অবশ্যই যেন অলসতার কিংবা আসক্তির কারণ না হয়।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা আমাদের ড্রইং রুমটাকে শুধু এই টিভির কারণেই অনেকটা প্রতিদিনের ‘তীর্থস্থানে’ পরিণত করেছি।একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন,টিভি আসলে স্বাস্থ্যহানিকর এবং সময় অপচয়কারি যন্ত্রের চাইতে বেশি কিছু না।আমার লেখা পড়ে আপনার হয়তো আমাকে ‘বকধার্মিক’ ঠেকতে পারে তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন,কথাগুলো কতখানি সত্যি!
১.যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,সেদেশের এক-চতুর্থাংশ শিশুই দিনে অন্তত চার ঘণ্টা কিংবা তারও বেশি সময় টিভির সামনে ব্যয় করে এবং নবম-দ্বাদশ গ্রেডের মাত্র ২৭ শতাংশ ছাত্র সপ্তাহে পাঁচ কিংবা তার বেশি প্রতিদিন ৩০ মিনিট সময় শারীরিক চর্চা ও ব্যায়ামের পিছনে খরচ করে।সাম্প্রতিক সময়গুলোতে শিশুদের স্থুলতা ক্রমবর্ধমান একটা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এর সাথে টিভি স্ক্রিনের সামনে অধিক সময় কাটানোর একটা গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ আছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন। এই একই কথা ইউ এস এ কিংবা এর বাইরে থাকা সব বয়সী মানুষের জন্যই সমান ভাবে প্রযোজ্য।তাই পরিমিত ওজন,শারীরিক শক্তি অটুট রাখা এবং সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন যাপনের জন্য টিভির প্রতি আসক্তি ঝেড়ে ফেলাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
২.যেসব শিশুরা প্রতি সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা কিংবা তারও বেশি সময় ধরে টিভি দেখছে,তারা আসলে কি দেখে?লেখাপড়ার প্রাথমিক(যাকে ইউএসএ তে এলিমেন্টারি লেভেল ধরা হয়)পর্যায় শেষ করার আগেই এইসব শিশুরা ৮০০০ খুনের দৃশ্য এবং ২০,০০০ টি ৩০ সেকেন্ড ব্যাপী টিভি কমার্শিয়াল দেখে!এই ধরনের বাজে ব্যাপারগুলো ধীরে ধীরে আমাদের নিজেদের মধ্যেই জায়গা করে নিচ্ছে ।এর চাইতে বাস্তবতা অনেক বেশি সুন্দর ,অনেক বেশি রঙিন।টিভি দেখা মানে আপনার ‘নিজের চার দেওয়ালের’ ভিতরে এমন সব বিষয়ের প্রবেশ ঘটানো যার উপরে আসলে আপনার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই কিংবা এমন সব ব্যাপার দেখা যা আসলে আপনি দেখতে চাইছেন না।তাহলে কেন এ টিভির সামনে বসে থাকা?
৩.টিভিতে সত্য উদ্ঘাটনে যেসব পুলিশ,আইনজীবী সাইকিয়াট্রিস্ট কিংবা এফ বি আই এজেন্টকে দেখানো হয়,এদের সত্যিকার জীবন তুলে ধরা হয় না।সত্যি বলতে এদের বাস্তব জীবনের সঠিক চিত্র খুব কমই ফুটিয়ে তোলা হয়। তাই অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখার ফলে আপনার মধ্যে বাস্তব জীবনের প্রতি একটা হতাশা কাজ করে।এবং এর সবচাইতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে আপনার ভালবাসা-রোমান্সে।টেলিভিশনে যেসব চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় সেগুলোর অধিকাংশই বাস্তব নয়।অন্যদিকে আপনার চারপাশ জুড়ে আছে সত্যিকারের মানুষজন।তারা সত্যিই সমস্যাতে পড়েন।এইসব সমস্যার সমাধানে আপনাকে তাঁদের প্রয়োজন এবং তাঁদেরকে আপনার প্রয়োজন।
৪.আপনার যদি মনে হয় আপনি এতটাই স্মার্ট কিংবা সচেতন যে বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রভাবিত হন না,তাহলে আপনার ধারণা ভুল!এত জায়ান্ট সব কোম্পানিগুলো আপনাকে প্রভাবিত করার আশায় বিজ্ঞাপনের পিছনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালে না বরং তারা খুব ভালভাবেই জানে আপনি বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রভাবিত হবেন-ই!বিশ্বাস না হলে ইন্টারনেটে খুঁজে দেখুন বিজ্ঞাপনের প্রতি মানুষের আস্থা কতখানি?
৫.যখন টিভি চলে,তখন আপনার চিন্তা ভাবনা আসলে ‘গ্রেফতারকৃত’ অবস্থায় থাকে।আপনার মনোযোগের প্রায় পুরোটাই টিভিতে আবদ্ধ থাকে এবং টিভিতে যা দেখানো হয়,আপনি সেই ভাবেই চিন্তা করতে থাকেন।
৬.আমেরিকানরা প্রতি বছর আনুমানিক ৬ বিলিয়ন ডলার শুধুমাত্র টিভি সেটে যে পরিমাণ ইলেক্ট্রিসিটি খরচ হয় ,তার পিছনেই ব্যয় করে।আর এর সাথে ক্যাবল/স্যাটেলাইট,মুভি,ডিভিডির খরচ তো আছেই।এর সাথে সুযোগ মুল্য(অপরচুনিটি কস্ট) ধরলে টাকার পরিমাণ কোথায় দাঁড়ায়,তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!
৭.টিভি বাস্তবতাকে অতিমাত্রায় সরল করে ফুটিয়ে তুলে।এটা বিষয়বস্তুকে ‘মিনিটের’ মধ্যে তুলে ধরে এবং শেষে ‘একটা সফল পরিসমাপ্তি’ দেখায়।এতে করে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতি হয় সেটা হচ্ছে আপনি নানা জটিল অবস্থাকেও চেষ্টা করবেন অতি সরলীকরণ করতে।এবং আপনার মধ্যে একটা আশা করবেন যে, সমস্যাটা হয়তো ৬০ মিনিট কিংবা তারও কম সময় সমাধান হয়ে যাবে।
৮.২০০৯ সালে চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমেরিকানরা গড়ে দিনে ৫.১ ঘণ্টা টিভির পিছনে ব্যয় করে।এই সময়টাতে হয়তো তারা একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা,দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া,শারীরিক চর্চা,বই পড়া,আপনার কোন শখ পূরণ অথবা কে জানে পৃথিবীর জন্য মঙ্গলজনক কোন একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারতো!
আপনি যখন টিভিসেটের সামনে বসে আছেন,আপনি তখন কিন্তু অন্য একটা কাজ করার সুযোগ হারাচ্ছেন।আপনি হয়তো পড়তে পছন্দ করেন,রান্না করতে পছন্দ করেন, সাজাতে পছন্দ করেন কিংবা ভালবাসেন বাসায় থাকা বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে।তাহলে এইসব আনন্দজনক কাজের সুযোগ আপনি অন্য একজনের মিথ্যামিথ্যি জীবন দেখে কেন নষ্ট করবেন?আপনি নিজের টিভি থেকে আসক্তি একটু দূরে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করুণ,দেখুন জীবন কতটা আনন্দময় আর রঙিন।তখন হয়তো আপনার আর টিভির সেই মিথ্যা মোহময় জীবনে ফেরত যেতে ইচ্ছা করবে না।
শুধুমাত্র একটা সপ্তাহ আপনার বাসার টিভি সেট বন্ধ রাখুন।আপনি দেখুন,কত কিছুই না করার আছে।আপনার বাসার কেউ যদি অনুযোগ করে যে তিনি ‘বোর’ ফিল করছেন,তবে তাঁকে বোর ফিল করতে দিন!আপনি যখন বোর ফিল করেন,তখন আপনার কল্পনার জগত প্রসারিত হয়,আপনি সচরাচর যেভাবে ভাবেন,তার চাইতে অন্যভাবে ভাবতে চাইবেন।এমন কিছু করবেন যা আপনি সচরাচর করেন না।
আপনাকে আবারও বলছি একবার চেষ্টা করেই দেখুন না,টিভিসেট বন্ধ করে থাকা যায় কি না!দেখবেন করার মত কত কিছু না বেরিয়ে আসছে। আমার বিশ্বাস,আপনি পারবেন এবং করবেন!!!!!
“প্রাচীন” নামে chittagong এর একটা বইয়ের দোকানের প্যাকেটের উপর লেখা কিছু কথা দিয়ে লেখাটা শেষ করতে চাইঃ
চিন্তা করুন,একটি ভালো বই পড়ে অনেক মানুষের জীবন পাল্টে গেছে।জীবন দর্শন বদলে গেছে।কিন্তু টেলিভিশন দেখে অধিকাংশ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও অস্থিরতা বৃদ্ধি ছাড়া বেশি অর্জন হয়নি।দেখার ওপর সমূহ প্রযত্ন ব্যয় হয়।ফলে কল্পনারে পথ রুদ্ধ হয়ে যায়।পুরনো বাঙালী শিশু রুপকথা ও ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে,রামায়ন ও হযরত আলীর পুঁথি শুনে যে কল্পজগত বানাতে পারতো,এখনকার টেলিভিশন দেখা শিশু তুলনায় অনেক স্থবির।বাচাল।সসৃজনহীন।অনুকরণপ্রিয়।সে কেবল ভুয়া ‘গণ’সংস্কৃতি’ ও ‘গণসভ্যতা’রূপী পশ্চিমা ভাবভঙ্গি অনুকরণ করে অবাস্তব ময়ুর হয়ে উঠে।
[পাদটীকাঃএই লেখা লিখতে বেশ কয়েকটি ইংরেজি ভাষার ওয়েবসাইটের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।এর সব কটাই ইউএস এ ভিত্তিক।ফলে লেখায় ব্যবহৃত তথ্যও ইউএসএ’র।স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে,ইউএসএ’র প্রেক্ষিত কি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কি খাটে?আমার পক্ষ থেকে উত্তর হচ্ছে এখন খাটছে না তবে দশ বছর পরে হলেও খাটবে।আমরা সবাই ক্রমেই খুব ব্যস্ত এবং বিচ্ছিন্ন একটা জীবনধারার দিকে এগিয়ে চলছি।সামনে আমাদের জন্যও নিঃসঙ্গতার কালো হাত অপেক্ষা করছে।তাই সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি এর সম্বন্ধে আমাদের সম্যক ধারণা থাকে,তবে আমরা হয়তো অনেক বেশি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবো এবং নিজেরাই নিজেদের রক্ষক হয়ে উঠতে পারবো।সবার সুন্দর ও মঙ্গলময় জীবন কামনা করছি।
***লেখার শিরোনাম অঞ্জন দত্তের একটি গান থেকে সংগৃহীত।
টিভির পোকা না হলেও শিশু-কিশোর বয়সে টিভি না থাকলে কী যেন নেই এরকম লাগত; বিশেষ করে কোন সময় যদি বাসার টিভি নষ্ট হত আর দুই-চারদিন টিভিহীন অবস্থায় থাকতে হত। তবে সাম্প্রতিক কয়েক বছরে টিভির উপর কোনরকম আগ্রহই আর কাজ করে না। টিভি দেখা ছেড়ে দিয়েছি কবে টেরও পাই নি। তবে হ্যাঁ, লেখাটা আমেরিকার প্রেক্ষিতে হলেও বাংলাদেশ খুব পিছিয়ে আছে বলে মনে হয় না। বিশেষ করে আন্টি-আপুমনিদের সিরিয়াল আর বাচ্চাদের কার্টুনপ্রেম !
জরুরি কথাবার্তা ! পিলাচ !
টিভি আমার মোটামুটি দেখা।খবর,টকশো আর ডিসকভারি দেখা হয়।তবে আসক্তি বলা যাবে না।চোখের সামনে পড়লে দেখা হয়,না হলে নাই!আপনার উল্লেখিত দুই জেনারেশনের টিভি আসক্তিটা আসলেই ভয়ঙ্কর ঠেকে।কি পরিমাণ মানসিক বিকৃতি নিয়ে যে এরা এগিয়ে যাচ্ছে নিজেরাও জানেনা হয়তো।
পিলাচের জন্য ধন্যবাদ :love:
khub valo laglo likha ti pora
টিভি দেখা ছেড়ে দিয়েছি অনেকদিন আগে।:)
লেখাটা ভাল লাগল।সুন্দর ও তথ্যবহুল
ধন্যবাদ তুসিন।
আমার মনে হয় আমাদের এই স্টেজে বা আর একটু পরের স্টেজের অনেকেরই টিভির প্রতি আসক্তির প্রবণতা অনেকটাই চলে গেছে । সেটা ডাইভার্ট হয়েছে ফেবুর দিকে। অর্থাৎ যন্ত্রের প্রতি ভালোবাসাটা কমছে না ।
দৃষ্টি আটকে যাচ্ছে তিনরঙা সমতলে… 🙁
লেখা ভালো লেগেছে… :love:
কথা সত্য।
হ্যাঁ।টিভি আসক্তি কিছুটা হয়তো কমে।তবে পুরোপুরি কমে না।কারো কারো ক্ষেত্রে সে জায়গাটা ফেবু নিয়েছে।কিংবা কারো বা সিনেমা/ ফটোগ্রাফি/মিউজিক।তবে এমন অনেককেই জানি যারা মেডিক্যালএর পড়ালেখার মত বেশ চাপ মাথায় নিয়েও সিরিয়াল একটি পর্ব ও বাদ দেননা।দিনের শেষে শত ব্যস্ততা আর ক্লান্তির মাঝেও খানিকক্ষণের জন্য হলেও চোখ বুলাতে চান।তার উপরে এমন একটা সময়ে আমরা চলে এসেছি যেখানে প্রত্যেকেই নিজের একটা খোলস তৈরি করে ফেলেছি। নিজেই নিজেকে ভালোবাসি।এই সময়ে বন্ধু কেবলই টিভি।এই ব্যাপারটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং সামনের জেনারেশান গুলো হয়তো এমনই হবে।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
টিভি দেখা হয় তবে তেমন না এক সময় ছিল যখন কার্টুন/ মুভি দেখার জন্য পাগল হয়ে থাকতাম মনে হত টিভি ছাড়া লাইফ অচল আর এখন তেমন আগ্রহ কাজ করে না আর ১০ মিনিট কিছু দেখার পর আর দেখতে ইচ্ছা করে না।
ভালো লেগেছে 🙂
ধন্যবাদ।
প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে- নামক একটি শব্দ ব্যাবহার করেছিলেন যার অর্থ ‘স্বস্তা বিনোদন/আমোদ’ টাইপের কিছু একটা। আমার কাছে টিভি দেখাটাও ‘মনোরঞ্জন’ ছাড়া আলাদা কিছু মনে হয় না। আমি বলছি না, দেখে শেখা যায় এমন অনুষ্ঠান টিভি-তে প্রচারিত হয় না তবে তার সংখা খুব বেশী নয়। অবাদ বাণিজ্যিকিকরণ মনোভাবে তার কদর কতোটুকু রক্ষিত হয় তা প্রশ্নবিদ্ধ। এক্ষেত্রে আমরা যারা দর্শক, তাদের-ই দোষ কম কি- সে। নতুন একটা মুভি দেখার আনন্দ কিংবা আগ্রহ কখনোই ডিসকভারি- ‘দ্যা ওয়ানড্যার অব ইউনিভার্স’ কিংবা ন্যাশেনাল জিওগ্রাফি’র- ‘ট্যাবু’ অনুষ্ঠান দেখার চেয়ে বেশী হয়ে ওঠে না।
একটা ভালো বই পড়ার রেশ অনেকদিন পর্যন্ত রেয়ে যায়। এমন কিছু বই আছে যা পাঠকের জীবনের অমূল পরিবর্তন এনে দেয়। মনোরঞ্জনের ছিটেফোঁটাও থাকে না এখানে।
চিন্তা জাগানিয়া একটি লেখা। ভালো লিখেছেন 🙂
বিজ্ঞজনেরা বলেন গ্রামে ফিরে চল।আমি বলি টিভি বন্ধ করে বইয়ের কাছে চলুন।কি অদ্ভুত এক সুন্দর জগতই না সাজানো আছে।মন্তব্যের জন্য হৃদয় ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। 😀