সম্পর্ক

পিঠেপিঠি ভাই বোন হওয়ার অনেক মজা।দুইজনের মধ্যে সারাদিন ধরে টিভির টম এন্ড জেরীর মত মারামারি চলতে থাকে।পরিবারের অন্য সদস্যরা আমোদিত হয় আর টম এন্ড জেরীর মাঝে লুকিয়ে থাকা ভালোবাসাটা বেড়ে চলতেই থাকে।আমি আর সোহান পিঠেপিঠি ভাই বোন।দুজনের বয়সের পার্থক্য মাত্র সাড়ে ছ মাসের।আমি যেহেতু বড় কর্তৃত্বটা বেশি ফলানোই আসে।আর সে যেহেতু ছোট আমার জীবন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দেবার দায়ীত্বটাও সে বেশ আগ্রহ সাথে নিয়ে নিয়েছে। আর সাড়ে ছ মাসের বয়স পার্থক্য নিয়ে যারা কিছুটা বিভ্রান্ত তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, সোহান আমার মামাতো ভাই। কিন্তু কবে কখন মামাতো ফুপাতো ভাই বোনের সংজ্ঞা টা আমাদের কাছে ফুরিয়ে গিয়েছিলো আমি মনে করতে পারিনা।ও আমার কাছে আমার ভাই, ঠিক যেমন আমি ওর কাছে ওর বড়বোন।

সোহানদের বাসা চিটাগং এ ছিলো, তাই বছরে দুই ঈদ ছাড়া তেমন দেখা হতোনা।কিন্তু দেখা হবার আনন্দটা এতো মস্তো ছিলো যে বছরের বাকী দিন গুলো কাটিয়ে দেয়া যেত ওই দুই চার দিনের স্মৃতি নিয়েই।আর এমন যদি হতো কোন কারণে আমি গ্রামে যেতে পারছিনা, মুঠোফোনের কল্যাণে মিনিট দুইএক পর পর টিং টিং বাজনা বেজে জানান দিতো গ্রামে তারা কত্ত মজা করছে, এই মাছ মারতে চলে গিয়েছে তো এই চড়ুই ভাতি হচ্ছে, এই সবাই দল বেঁধে নদীর পাড়ে গিয়েছে তো এই টং দোকানে মুড়ি বিস্কুট খাওয়া হচ্ছে…আর এসব চিরকুটের মাঝে যে কথাটা লুকিয়ে থাকতো তাহলো আপু প্লিজ বাড়ি আসো, মিস ইউ।

সোহান যখন ক্লাস নাইনে পড়ে আমি তখন কলেজে। আমি যে কলেজে পড়তাম সেইখানে মাথা নষ্ট করে দেয়ার মত প্র্যাক্টিকাল হতো।দিন নাই রাত নাই পাতা ভরে ভরে শুধু প্র্যাক্টিকাল লিখতে লিখতে চ্যাপ্টা হয়ে যাবার মতো অবস্থা।সোহান যখনই ফোন দিতো আমি বলতাম প্র্যাক্টিকাল করিরে, জীবন শেষ হয়ে যাইতেসে। পরে লোকমুখে (আসলে কাজিনমুখে)জানতে পারলাম সে আমার নাম দিয়ে দিয়েছে প্র্যাক্টিকাল আপু।

পড়াশোনার দরকারেই আর আড্ডা বাজির জন্যই হোক প্রতি রাতে একবার তার ফোন দেয়া চাই, মেসেজিং ও চলতো সারাদিন ভরে। আর যে যখন যার বাসায় যেতাম মারামারি চলতেই থাকতো।বালিশ দিয়ে একজন আরেকজনকে পেটানোর কাজটাকে আমরা একেবারে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। সোহান প্রচন্ড রকমের দুষ্টু ছিলো, একবার ব্লুটুথ দিয়ে তার ফোন থেকে গান নেয়ার সময় ডিভাইসের নাম পড়ে আমি চমকে উঠেছিলাম। আমার ফোন স্ক্রীনে জ্বলজ্বল করছে ডু ইউ ওয়ান্ট টু রিসিভ ডাটা ফ্রম রিসিভ করলেই তোর বউ আমার!!! আমি ওর দিকে তাকাতেই এক গাল হেসে বললো, স্যরি আপু ফ্রেন্ডদের জন্য দিয়েছিলাম।

সোহানের কিছু ব্যক্তিগত হতাশা ছিলো। হতাশা থেকে মুক্তির উপার ওর কাছে ছিলো হাসি ঠাট্টা করা।ওর জন্য নিজের বন্ধুতালিকার মানুষগুলোর কাছে বিব্রত হতে হয়েছে বেশ কবার। আপনার বন্ধু তালিকায় নামিদামি কিছু মানুষ থাকলে ফেসবুকে আপনার মনের সব কথা আপনি চাইলেও বলতে পারবেননা। কে কি ভাববে না ভাববে চিন্তা টা এসেই যায়। সোহানের সেসবের বালাই ছিলোনা, অন্যকে জ্বালানোতেই সে মজাটা পেতো। আমার মনে পড়ে সবসময় এরকমটা করার জন্য আমি তাকে বকাও দিয়েছি। আমার বেশ কিছু বন্ধুকে সে অ্যাড করেছিলো, ফাঁক পেলেই তাদের সাথে মজা করা চাই, কে বিরক্ত হচ্ছে , কে ফান বুঝতে পারছে এসবের থোড়াই কেয়ার করতো। একবার ওর সাথে রাগ করেই কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ফোন ধরতাম না, টেক্সটের রিপ্লাই দিতাম না।  শেষ মেশ আর কোন উপায় না পেয়ে  আমাকে ও একটা টেক্সট করেছিলো,

সবাই আমার উপর রাগ করে আমি নিতে পারি কিন্তু তুমি রাগ করলে নিতে পারিনা। আর সবাই আমার কাজিন কিন্তু তুমি তো আমার আপু, আমার বড় বোন। কি কারনে কথা বলছো না , একটাবার আমার দোষ তো বলবে।

ভাই বোনের ঝামেলা মিটে যেতে সময় লাগেনা, আমাদেরও লাগেনি।
ক্লাস টেনে পড়ার সময় সোহান একবার ঢাকায় এলো।ওকে দেখে আমার চক্ষু ছানাবড়া, প্রায় ছ’ফুট হতে চলেছে। আমার ছোট ভাইয়ের কোমরের কাছাকাছি  আমিই পড়ে আছি চিন্তা করতেই মেজাজ বিগড়ে যেতো। হাইট নিয়ে আমার দুর্বলতা নতুন ছিলো না, সোহান ও প্যাড়া দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রায়ই উচ্চতা মাপতে চাইতো।

যেদিন ওর এস এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে, আমি নিজের জন্যেও এতো টেনশন করিনাই। আগের দু রাত দুই ভাই বোন না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়েছি। সারারাত আমরা ফোনে কথা বলতাম। সোহানের ইচ্ছে ছিলো ঢাকার কোন কলেজে পড়ার। ওর কেন যেন ধারণা ছিলো ঢাকায় আমরা সবাই থাকি তার মানে ঢাকায় নিশ্চয়ই খুব আনন্দ হয়, অনেক চেষ্টা করেও ওকে যখন বুঝাতে পারলাম না যে পরিবারের সাথে থাকা কি জিনিস, আমি হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। এস এস সি পরীক্ষা দিয়েই সে ঘুরতে ঢাকায় চলে আসে। ওর সেই ছুটি কাটানোর সময় দুইজন কম ঘুরিনি ঢাকা শহরের এ গলি ও গলি। সব কিছুতেই সোহানের মুগ্ধতা, ঘন্টার প ঘন্টা জ্যামে বসে থেকে হাতে কিল মেরে বলে,  আরি কি ফার্স্ট ক্লাস যানজট ! দুইজন মিলে ঠিক করলাম ঢাকা শহরের সমস্ত রেস্টুরেন্টে হামলা চালাবো।

আমার বন্ধু রাশেদ আর গেরিলা দুটোই মুভি ওকে নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। গেরিলাতে যখন খোকন চরিত্রটা পাকিদের হাতে নির্মম ভাবে মারা যায়, আমাকে অবাক করে দিয়ে হেঁচকি তুলে কেঁদেছিলো সোহান, ছেলেটা হাসতে জানে , হাসাতে জানে, ক্ষেপাতে জানে, রাগাতে জানে জানতাম, কাঁদতে জানে জানা ছিলো না। ওর মাঝে পাকিস্তান বিদ্বেষ এর শুরুটা সেভাবেই হয়। তারপর রেজাল্টের আগে চিটাগং চলে যায় আমার ভাই। রেজাল্টের আগে বেচারা ঘুমাতে পারতোনা, আমাকে ফোন দিতো আর সারারাত গল্প করতাম, আসলে বুঝাতাম যে পরীক্ষার রেজাল্টই জীবনের সব কিছুনা। তারপর রেজাল্টের দিন দুপুরে ওর ফোন আসে , আপু ইটস এ+, আমি ঢাকায় আসছি, ঢাকা শহরের তামাম খাবার দোকান খালি করে ফেলবো।

মনে আছে, যেদিন ওর নটরডেম কলেজের রেজাল্ট দিবে আমরা সবাই গ্রামে ছিলাম। সবাই খুব হুল্লোড় করছে, হাসাহাসি মাতামাতি, একসাথে পরিবারের সবাই থাকলে যা হয়। আমিই প্রথম জানলাম সোহান নটরডেমে চান্স পেয়েছে। মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি খেলে গেলো। ওকে যেয়ে বললাম চান্স হয়নি। কি আশ্চর্য , একটা কলেজের জন্য কারো চোখে এরকম শূন্যতা সৃষ্টি হবে আমি কোনদিন ভাবতে পারিনি। নিজেই ভয় পেয়ে গেলাম। তাড়াতাড়ি জানালাম ওর নটরডেমে চান্স হয়েছে। পরদিনই ভর্তির ডেট, সোহান ওইদিনই ব্যাগ গুছিয়ে ঢাকায় চলে গেলো।

ঢাকায় আসার দুই সপ্তাহের মধ্যে ওর মাথা থেকে ঢাকার ভূত নেমে গেলো। খালি ফোন দিয়ে বলে আপু চিটাগং খুব মিস করি। আমরা একসাথে খুব ঘুরলাম, খুব আড্ডা দিলাম, চুপচাপ পাশাপাশি বসে থাকলাম কিন্তু সোহানের ভেতরের একাকীত্ব টুকু দূর করতে পারলাম না।এদিকে চিটাগঙ্গে সোহানদের নতুন ফ্ল্যাট হয়েছে।ফ্ল্যাট দেখার জন্যই ছোট্ট চারদিনের ছুটিতে ও ঢাকা ছাড়লো। ফ্ল্যাটের প্রতি রুমের ছবি, ওর এসি, ওর পড়ার টেবিল, ঘরলাগোয়া বারান্দা, ছোট্ট ফুলের টব সব এম এম এস করছে একটু পর পর। বুঝলাম খুব খুশী।

ঢাকায় ফেরার পর পরই হাল্কা জ্বরে পড়লো সোহান। আসার সময় মামী নানা রকম নাস্তা বানিয়ে দিয়েছেন , ইচ্ছে হলেই ওর খালাকে বলে , খালা তৈরী করে দেন, আমাকে ফোন দিয়ে কিংবা এম এম এস করে জ্বালানো চলে। ও একটা বলা হয়নি, আমার অনেক আগ থেকেই একটা অনেক বড় টেডি বিয়ারের শখ। কথা ছিলো আমি ওর জন্যে দুয়া করবো আর ও এ+ আর কলেজে ভর্তি হলে আমাকে টেডিবিয়ার কিনে দিবে। মাঝে মাঝেই সুপার শপ গুলোতে যেয়ে বড় টেডির ছবি তুলে আমাকে জ্বালানো চলতো। আমার ফোন বক্স উপচে পড়েছিলো , ইনবক্সের আগাগোড়া সোহান আর সোহান।

সোহান এতো ভিতু ছিলো বলার মত না। ভূত এম এম শুনে ভয়ে বাথ্রুমে যেতে পারতোনা। আমাকে ফোন দিয়ে বলতো আপু একটু লাইনে থাকো প্লিজ, আমার অনেক ভয় লাগে। এদিকে আমি হেসে কুটিপাটি হতাম আর চিন্তা করতাম কাজিন মহলে কিভাবে এই গল্পের ডালপালা গজিয়ে মহীরুহ বানিয়ে উপস্থাপন করবো।

একরাতে ফেসবুকে স্ক্রল করছিলাম, হঠাত চোখে পড়লো ওর আপডেট আমার খুব জ্বর। তখন আনুমানিক রাত দশটা বাজে। ফোন দিলাম। কথা শেষে ঠিক হলো পরদিন দেখতে যাবো। রাত ১২টায় আবার মেসেজ,
আপু কখন আসবা? তাড়াতাড়ি আইসো প্লিইইইইইইজ। কালকে দেখা হবে।কবে যে পূজার ছুটি হবে, কবে যে বাড়ি যাবো। প্ল্যান করবো তাড়াতাড়ি আইসো কিন্তু, প্লিজ প্লিজ, প্লিজ।

আমার ইনসম্নিয়া আছে। রাতে ঘুম হয়না। সেদিন বৃহস্পতিবার রাত ছিলো,কিংবা বলা চলে শুক্রবারের প্রথম প্রহর।ঘুম আসছিলোনা। মোবাইলে গেম খেলছিলাম।হঠাত আম্মুর ফোন বেজে উঠলো , রাত তখন ২টা বেজে ১৫ মিনিট। আমি চমকে উঠলাম।এতোরাতে আম্মুর ফোন বাজা কোন শুভ ঘটনা না তা বেশ ভালোই বুঝতে পারছিলাম। আমার আম্মু হাই প্রেশারের রোগী।রাতে জেগে গেলে সমস্যা।লাফ দিয়ে উঠে তাই আমিই ফোন ধরলাম, আমার এক মামা ফোন করেছেন। আমামকে জিজ্ঞাসা করলেন আম্মু কেমন আছেন? প্রেশার কেমন ইত্যাদি।  তারপর আমার মামা আমাকে এমন এক তথ্য দিলেন যার জন্য আমি আসলে কখনোই প্রস্তুত ছিলামনা। মামা বললেন সোহান মারা গিয়েছে।আমার প্রথমে মনে হল আমি বুঝতে ভুল করেছি হয়তো যাকে রাত ১২টায় ও আমি মেসেজ পাঠালাম সে রাত ২টার সময় নাই এ ব্যাপারটা ঠিক কীভাবে মেনে নিবো বুঝতে পারছিলাম না। একটা মুহুর্তের মধ্যেই আমার দুনিয়া শূন্য হয়ে গেলো। আমি কেমন করে আম্মুকে বলবো একথা আমি তখনো জানতাম না। তার ভাই দের পুত্রের মধ্যে এই ছেলেটার জন্য তার অতিরিক্ত পরিমানে ভালবাসার কথা আমাদের কারো অজানা ছিলোনা। না হবার কোন কারণ ও ছিলোনা। সোহান ছিলো এমন একজন যে এক নিমিষে অনেক দূরের কাউকে অতি আপন করে নিতে পারে। সবাইকে আপন করে নেয়া ছেলেটা এভাবে এতো দূরে চলে যাবে তা আমি কোনদিন ও ভাবিনি। আমার ভাইটা, আমার জানের টুকরা ভাইটা। ওকে যখন শেষ দেখলাম ওর মুখের কোণে এক টুকরো হাসি। ও প্রায়ই ঠাট্টা শেষে একটা কথা বলতো, দেখো তো সবাই কেমন চমকে দিলাম। জীবনের সবচেয়ে বড় চমক এভাবে পেতে হবে তা আশা করিনি কখনো। হঠাত আমার দুচোখ ভাসিয়ে জল গড়াতে শুরু করলো।

সেদিনের পর থেকে আমি অনেকদিন গ্রামে যাইনি। কিছুদিন আগে খুব জরূরী দরকারে গ্রামে যেতে হয়েছিলো, যে কদিনের বিরতিতে আমি গ্রামে যাইনি ততদিনে আমাদের গ্রাম আমূল বদলে গিয়েছে, পাকা রাস্তা, রিক্সার বদলে সিএনজি , উঁচু ব্রীজ, পরিচিত মুখ গুলোর মাঝে কত পরিবর্তন। আমার খুব ইচ্ছে হলো সোহান কে একবার দেখে আসি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে খুব কম সাহস দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমি সোহান কে মাটির ঘরে দেখার সাহস টুকু এখন পর্যন্ত অর্জন করতে পারিনি, কোনদিন পারবো বলে মনে হয়না।

নূহা চৌধুরী সম্পর্কে

এক বাক্যে - আমড়া কাঠের ঢেঁকি !!! এক কথায় - অপদার্থ !!! X( ভালবাসতে ভালবাসি ... :) From every depth of good and ill The mistry which binds me still From the torent or the fountain From the redclif of the mountain My heart 2 joy at the same tone.... And all I loved, I Loved Alone...
এই লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে গল্প, বিবিধ-এ। স্থায়ী লিংক বুকমার্ক করুন।

8 Responses to সম্পর্ক

  1. শারমিন বলেছেনঃ

    প্রথেম যখন পড়া শুরু করেছিলাম দারুন লাগছিল কারণ ভাইবোনের মধ্যেকার সম্পর্কটা অসম্ভব সুন্দর একটা সম্পর্ক কিন্তু শেষটা পড়ে আর কিছু বলতে পারছি না মনটা অসম্ভব খারাপ হয়ে গেল।

  2. এমন করে শেষ হবে সেটা কখনোই কল্পনা করি নি নূহা…
    সৃষ্টিকর্তা আমাদের খুব অদ্ভুত ভালো মানুষের খোঁজ দিয়ে পাঠায়, তাদের হারিয়ে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হয়…

    যেমন করে এখন মনে হচ্ছে…
    সোহান ভালো থাকুক…অনেক বেশি ভালো…

  3. ফিনিক্স বলেছেনঃ

    আমার নিজের একটা ভাই আছে বলেই কিনা জানি না, শেষটুকু পড়ে আর কোন কিছুই কল্পনা করতে পারছি না!

    সৃষ্টিকর্তা যেন আমার ভাইয়ের আগে আমার মৃত্যু লিখে রাখেন- এটুকুই প্রার্থনা।

  4. জাকির হোসাইন বলেছেনঃ

    সুন্দর এবং মন খারাপ করে দেওয়া লেখা।

    ছোট্ট একটা কারেকশনঃ প্রথম বার লিখছেন সাড়ে ছ মাস বয়স পার্থ্যক্য। পরে আবার সাড়ে তিনমাস। সময় ফেলে ঠিক করে দিবেন 🙂

নূহা চৌধুরী শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।