এক গাদা কাগজে মন ডুবিয়ে দিয়ে বসে
১৮ ইঞ্চি মনিটরের দিকে পলকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে,
কখনও বা হয়ত মোটা মোটা বইয়ে ডুবে,
দিন তো আমার এই বেশ চলে যাচ্ছিল।
হঠাৎ একদিন ব্যাকুল হয়ে জিজ্ঞেস করলো-
“আমি বুঝিনা, কি হবে এত কাজ করে?”
চুপ ছিলাম।
অর্থহীন অবান্তর প্রশ্নের উত্তর আমি দেইনা!
নীল শাড়িতে ওকে বেশ লাগে।
আমার ডেস্কটপের ব্যাকগ্রাউণ্ডে হালকা নীল আকাশের প্রতিচ্ছবি কি এমনি এমনিই?
ওর বৃষ্টি পছন্দ। বলে- “তুমি কখনও বৃষ্টিভেজা দিনের মর্ম বুঝবেনা।”
আমি যে নতুন বইয়ের পাতায় বৃষ্টির সোঁদাগন্ধ খুঁজে পাই তা ওকে কে বোঝাবে?
ঐযে নাকফুলটা, একবিন্দু শুভ্র তুষারের মত জমে থাকে ওর নাকে,
আমার টেবিলে জমে থাকা এ-ফোর সাইজের সাদা কাগজের মতই নয় কি?
এভাবেই ওকে কাজের মধ্যে খুঁজে নেই আমি!
তবে এক আষাঢ় মেঘ কেন ওর চোখে, কাজই আমার ভালবাসা জেনে?
ওর বৃষ্টি পছন্দ। বলে- “তুমি কখনও বৃষ্টিভেজা দিনের মর্ম বুঝবেনা।”
আমি যে নতুন বইয়ের পাতায় বৃষ্টির সোঁদাগন্ধ খুঁজে পাই তা ওকে কে বোঝাবে?
🙂
আমার ‘তাহাকে’ আবার গোলাপি শাড়িতে দারুণ লাগে! :love: :love: :love:
:love:
আর বইলেন না। আমার ‘তাহার’ ফটুক মাতাজিকে দেখালাম, অতঃপর. . . . .
“হইছে বুঝছি, পাকনামি না করে পড়তে যা -_-“
দৃশ্যকল্পটা ভালো ছিল।