শহিদুলের অসীম হেকমতি বিদ্যুৎ আর আমাদের বিজ্ঞান শিক্ষার বাস্তবতা

ছোটবেলা থেকে বহুল শোনা নিউটনের সেই আপেলের কাহিনী মনে আছে তো আপনার?

আমাদের পাঠ্যপুস্তকে কত সুন্দর করে রোমান্টিসিজম করে লেখা নিউটন আপেল গাছের নিচে বসেছিলেন, তারপরে তার মাথায় আপেল পড়লো আর ওমনি টুপ করে তার মাথায় মহাকর্ষ সুত্র চলে এলো। যেন নিউটনের কোন কৃতিত্ব নেই, তার কোন প্রচেষ্টা নেই- হাজার হাজার ঘন্টা পরিশ্রম, হাজার হাজার পৃষ্ঠা খসড়া সবকিছু মিথ্যা আর মুল্যহীন, অযাচিত আর অপ্রয়োজনীয়।  জ্ঞান থাকে আপেলে ভরা, মাথায় পড়ে আর নিউটন বিজ্ঞানী নিউটন হয়ে যায়। দুর্ভাগ্য আমার যে সেই আপেল তার মাথায় পড়েছিল। দুর্ভাগ্য আমার, আপেলটি আমার মাথায় পড়ে নাই- না হয় আজকে আমিও হতে পারতাম এত বড় বিজ্ঞানী। কিন্তু আমি আসলে পারতাম না, কারন আমাদের দেশে প্রচলিত এবং পাঠ্যপুস্তকে এবং গল্পকাহিনীতে লিখিত বহুল চর্চিত গল্প অনুসারে কোন কোন পশ্চিমা দেশ আমাকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যেতো অথবা আমি রাজী না থাকলে আমাকে খুন করে প্রযুক্তি চুরি করতো। এই যে বিশাল বিশাল আবিষ্কার, আকাশের পেলেন আর পানির তলে সাবমিরিন, রাস্তার গাড়ি আর বিরাট বিরাট ট্যাং- সবই আমাগো রমিজুদ্দি আর করিমুদ্দির অনেক আগের আবিষ্কার। লুংগি পইড়া, খালি গায়ে মাটি কাটতে কাটরে রহিমুদ্দি আর ধানক্ষেতে চারা বুনতে বুনতে করিমুদ্দি আবিষ্কার করিয়া হালাইছিল। কিন্তু  আখাস্তা বেত্তমিজ, নালায়েক ইহুদি নাশারা পশ্চিমারা আমাগোর সোনার ছেলেদের আবিষ্কার কাইড়া লয়া গেছে।

আমি বলবো আমাদের এই নির্বোধ মুর্খদের রচিত বিজ্ঞান শিক্ষা আর বিজ্ঞান পাঠদান জাতিগত ভাবে আমাদের এই বিজ্ঞানহীনতার জন্যে দায়ী। পৃথিবীর ২০ কোটি মানুষের প্রতিনিধি আমরা, প্রতি ৩০ জনে একজন। স্বাধীনতার এত বছর পরে প্রতি ৩০ জনে একজন বিজ্ঞানী বাংগাল মুলুকের হয়েছে? ৩০০ জনে একজন? ৩০০০ জনে একজন? তাহলে আমাদের দেশের লাখ লাখ বিজ্ঞান শিক্ষার্থীরা কোন ঘোড়ার ঘাস কাটে? তারা কি শিখে, কি পড়ে, কি লেখে?

তারা কিছুই শিখে না, কিছুই পড়ে না, কিছুই জানে না। তাদের কেউ জানে আল্লাহর ইচ্ছায় পানি তৈরি হয়, হাইড্রোজেন অক্সিজেন সব মিছা কথা, আরেক পক্ষ জানে মাথায় আপেল পড়লে সুত্র বের হয়- চেষ্টা, সাধনা, বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া, গবেষনা সব মিছা। এর জন্যে আমাদের শিক্ষা ড্রেন দিয়ে ক্রমাগত শিক্ষিত বর্জ্র প্রবাহিত হয়। পরীক্ষা দিলেই গোল্ডেন এ প্লাস, পরীক্ষা দিলেই ছক্কা- বিজ্ঞানের ছাত্র, বিজ্ঞানের ব ও জানে না। ছাত্র তো ছাত্র, বিজ্ঞানের প্রফেসররাও এক্ষেত্রে ছাগলামী আর নির্বুদ্ধিতায় পিছিয়ে থাকেন না।

আর এ জন্যেই আমাদের দেশে রহিমুদ্দি, করিমুদ্দিরা কয়দিন পরে পরে তাকলাগানো সব আবিষ্কার করে ফেলে। আর বিজ্ঞান সমন্ধে নির্বোধ অশিক্ষিত এবং মূর্খ সাংবাদিকরা, ছাতার মত শত শত গড়ে ওঠা, মানহীন এবং রসময় গুপ্তের চটির মত রগরগে অনলাইন এবং অফলাইন পত্রিকার সাংবাদিকরা ফলাও করে সেসব ছেপে দেন। যে জিনিস যত চটকদার, তার বাজার তত ভাল,কাটতি বেশি। স্থানীয় চেয়ারমেন থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এসব জিনিস নিয়ে মাতামাতিতে কেউ পিছিয়ে থাকে না। আর এদিকে দিনের পর দিন কষ্ট করে যে প্রফেসর বা গবেষক কিছু একটা যথার্থ আবিষ্কার করেছে তার দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। নির্বোধ সাংবাদিকদের সেসব বোঝার ক্ষমতা হয় না- তারা সেসব বুঝতেও চায় না। কয়েকদিন পরে তারা আরেক নবাগত আব্দুল কে নিয়ে মেতে ওঠে। কয়েকদিন পরে পরেই জ্বালানী ছাড়া গাড়ি্র আক্কাস, পানি দিয়ে বিদ্যুতের কুদ্দুসেরা আমাদের পত্রিকার পাতায় স্থান লাভ করে, পেরাইভেট টিবি চেনেলের সেক্সি সেক্সি ডবকা উপস্থাপিকারা তাদের নাক টেনে টেনে জিজ্ঞেস করে, আচ্ছা আব্দুল ভাইয়া আপনার এই আবিষ্কারটা আমাদের একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?

আব্দুল শুরু করে, আমি তখন ব্লগ নিয়ে নেট চালাইতাম, একদিন ব্লগ আমার নেট কেটে দিল। সেদিন রাগিয়া মাগিয়া আমি একখান জেনারেটর খরিদ করে লইলাম, সেই জেনারেটরের লগে মটর লাগাইয়া, এসিরে ডিসি, ডিসিরে বিসি বানাইয়া, একটা পাম্প চালাইলাম, সেই পাম্পের লগে একটা তার গিট্টা দিয়ে, তার লগে আরেকটা ইনপুট আর আউটপুর দিলাম, সেই আউটপুট… ব্লা ব্লা ব্লা

সেক্সি উপস্থাপিকার চোখ মুখ চক চক করে। আর আমি দেখি দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার অন্ধকার ভবিষ্যত…

হাল আমলের বাজারে নতুন মালের আমদানি হয়েছে। মহাজ্ঞানী শহিদুল থার্মোডাইনামিক্সের সবগুলা রুল দ্রুম করে ব্রেক কইরালাইছে। তাই নিয়া মাতামাতি, কোতাকুতি- পেপার টিভি সব পাগল হই গেছে। সবখানে শুধু শহিদুল। আহ! এইবার দেশে নোবেলের অভাব মিটবে। শহিদুল যা আবিষ্কার করছে তাতে অনেকগুলা বিজ্ঞানীর অনেক গবেষনা, নুবেল মিথ্যা হয়ে যাবে- আর এত বছরের বকেয়া সব নুবেল শহিদুল একাই নিয়া আইবে- কানাডার কোম্পানি তারে ১৫০ কুটি টাকা অফার করছিল- বাপের ব্যাটা দেশপ্রেমিক শহিদুল সেটা ঘৃণাভরে প্রত্যখ্যান করেছে। একটা একুশে পদক তো দেয়াটা আসে। হায় কানাডিয়ানরা- ওরা একটা অভিশাপ- ওরা খালি দেয় আর দেয়- ওরা কোটি কোটি টাকা ঘুষ দিয়া পদ্মা সেতু আর আবুল হোসেনের বারোটা বাজাইছে- এইবার এরা লাগছে আমাদের মহাবিজ্ঞানী শহিদুলের পাশে। কিন্ত শহিদুল আবুল নয়- সে কানাডার টাকা নেয় নাই। সে দেশের ছেলে দেশে ফিরে পুরা দেশ লাড়াইয়া চাড়াইয়া দিছে। মখার থিউরিতে দেশে একটা বিরাট ভুমিকম্প আসন্ন…

bn

যাই হোক অনেক বলা হয়ে গেছে। প্রতারক শহিদুলের সমন্ধে এক বুয়েটিয়ানের নিজস্ব অভিজ্ঞতা তার লেখাতেই পড়ুনঃ

“জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ…
এরকম আবিস্কারের ঘটনা বাংলাদেশে হরহামেশা ঘটছে। তবে এই আবিস্কারকের সাথে আমার একই আবিস্কার নিয়ে আগে বেশ বড় ঘটনা ঘটে গেছে। এই ছেলে পুরোপুরি একটা প্রতারক। আমি জানিনা কিভাবে তার সাথে ড. এম শমসের আলী এর নাম জড়াল। কিন্তু জাতীয় প্রেস্ক্লাব পর্যন্ত গেছে মানে এইবার সে বেশ ভালোমতই মাঠে নেমেছে।
২০০৮ সালে প্রথম যখন এই “গবেষক” শাহিদ আত্মপ্রকাশ করে তখন বেশ অবাক হয়েছিলাম। আবিস্কারক দিনাজপুর এর। তাই আমরা তার আবিস্কার দেখতে গেলাম। আমরা বলতে আমি, জয়( Joy Bhadhan Roy) আর মুশফিক( Chowdhury Mushfiques) আর আমার এক কাজিন। গিয়ে দেখি বিশাল অবস্থা। প্যান্ডেল বানায়ে রাখসে। অনেক চেয়ার ভাড়া করে এনে রাখছে। আমরা বললাম বুয়েট থেকে আসছি। আমাদেরকে একটু বুঝায়ে দিবা কিভাবে করেছ? আমাদেরকে অনেকক্ষন বসায়ে রাখল। এরপর দেখি দলে দলে লোক আসতেছে। এরপর আসলো সেনাবাহিনী এর ইঞ্জিনিয়ারিং টিম। তাদের সাথে পিছে ঘুরে ঘুরে দেখলাম। একটু ঘুরেই পুরা ফাঁকি ধরতে পারি। এরপর তাকে একটু ভালোমত জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দেহ প্রকাশ করায় তার মা এসে হম্বিতম্বি শুরু করে। তবে সেই আবিস্কার তখন ৫ টা টিভি চ্যানেল, সব পত্রিকার প্রথম অথবা শেষ পাতায় এসেছিল। প্রথম আলতেও। তখন প্রথম আলোর দিনাজপুর প্রতিনিধির সাথে আমরা দেখা করি। উনাকে বুঝায়ে বলি যে এইটা কোনভাবেই সম্ভব না। উনি আমাদের কথা বিশ্বাস করেন নাই। এরপর কায়কোবাদ স্যার এর সাথে এবং শহিদুল ইসলাম খান স্যার এর সাথে উনাকে কথা বলায়ে দেই। উনারা বলার পর সাংবাদিক বুঝতে পারেন যে পুরা ব্যপারটা ফাঁকি। এরপর আমরা দিনাজপুর এর ডিসি এর সাথে দেখা করি। উনিও প্রথমে বুঝতে চান নাই। সৌভাগ্যক্রমে, একজন ম্যাজিস্ট্রেট বুয়েট এর ছিল। উনি একবারেই ফাঁকি টা ধরতে পারেন এবং ডিসিকে বুঝান। এরপর ডিসি পুরা ব্যাপারটা থামিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। এবং স্থানীয় কিছু পত্রিকায় আমাদের ব্যাখ্যা সহ নিউজ ছাপে। কিন্তু এর মধ্যে এর ছেলে অনেক ব্যাবসায়ির কাছে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ফেলেছিল। এরপর আমরা ঢাকায় চলে আসি। তার ঠিক ২ দিন পরে এই ছেলে আমাকে ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি ভয়ে কাপতে কাপতে আব্বুকে বলি। আব্বু এরপর জিডি করে। এরপর অই ছেলে নাকি তার জিনিসপত্র নিয়ে সরে পরে, এরপর বছরখানেক পরে পেপার এ পড়লাম অই ছেলে এক মেয়েকে রাস্তা থেকে এক মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য জেল খাটে। এরপর আর খবর জানি না। আজকে আবার খবর পেলাম আবার বড় আকারে সে এই ব্যাবসা শুরু করেছে। বাংলাদেশের একজন অধ্যাপক ও এই ব্যাবসায় জড়িয়েছে। খুবই আশঙ্কাজনক। বুয়েটিয়ান গ্রুপ এ কেউ যদি থাকে যে এইটা থামাতে পারবে, তার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
শাহিদ এর দাবি ছিল, সে ৩ কিলোওয়াট এর মটর দিয়ে ৩০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে। কিন্তু সে একটা বড় আই পি এস ব্যবহার করেছিল যেইটা সবার চোখ এড়িয়ে যায়”

( এই লেখাটা বুয়েটে আড়িপাতা গ্রুপে শেয়ার করা হয়েছিল, সেখান থেকে সংগৃহীত।)

বাংলানিউজের খবরে আছে –

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রযুক্তির মূল উপদেষ্টা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক প্রধান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী। – http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/346836.html#sthash.90zdvKJc.dpuf

 

 

যেদেশে এইরকম বৈজ্ঞানীক নলেজ নিয়া কেউ একজন ঢাকা ইউনিভার্সিটির পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের হেড, পরমানু শক্তির পরিচালক হয়ে যেতে পারেন সেদেশে হেকমত, কুদরত সব সম্ভব… সব সম্ভবের বাংলাদেশ!!

এখানে সায়েন্স আলোচনা করবো না। কিন্তু সংক্ষেপে বলি থার্মোডাইনামিক্স দাঁড়িয়ে আছে যেসব ল অনুসারে সেসব ল অনুসারে এমন কোন যন্ত্র বানানো সম্ভব না যা ইনপুটে যা নেবে আউটপুটে তাই দেবে। কারন সহজ হিসেবে ধরেন ঘর্ষন বা অন্যান্য কারনে অনেক লস হবে। যদি ইনপুটে যা দেয়া হয় আর আউটপুটে যা বের হয় তা সমান থাকে তাহলে পারপেচুয়াল মোশন হবে, মানে মেশিনটি নিজে নিজেই চলতে থাকবে অনন্তকাল। ফিজিক্সের বেসিক থিউরি অনুযায়ী এটা অসম্ভব। এই থিউরি মিথ্যা প্রমান করা যাবে না। কারন এই থিউরির ঊপরেই সম্পুর্ন থার্মোডায়নামিক্স( ফর সিম্পল এক্সাম্পল, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন এইসব) কাজ করে। এই থিউরি ভুল মানে এই সব কিছু ভুল।

আর তারচেয়ে বড় কথা হলো শক্তির নিত্যতা সুত্র- শক্তি সৃষ্টি বা বিনাশ করা যায় না, শুধু এক রুপ থেকে অন্য রুপ দেয়া যায়- এটা হচ্ছে বিজ্ঞানের অন্যতম প্রথম কথা। শহিদুল ইনপুটে ৩ কিলোওয়াট দিয়ে আউটপুটে ৩০ কিলোওয়াট বের করছে। তার মানে সে বাকি ২৭ ওয়াট সে ক্রিয়েট করে ফেলেছে- সে তো তাইলে আল্লাহর সমান ক্ষমতাবান- নিজে নিজে শক্তি তৈরির কারখানা দিয়ে ফেলেছে। শহিদুল তাই শক্তির নিত্যতা সুত্রও ভুল বলে দাবি করছে।

সাধারন বিজ্ঞান সমন্ধে যার আইডিয়া আছে সেও এই ব্যাপারগুলো বুঝতে পারবে।

আমি গতকাল থেকে ইউটিউবে শহীদুলের অনেক গুলা স্বাক্ষাতকার আর রিপোর্ট পড়লাম। কোনটার আগামাথা কিছুই বুঝলাম না। সে যে কি বলে সে নিজেও জানে না। আরো বেশি হাস্যরস আর প্রতারনা সৃষ্টি করার আগেই এই ছেলেটাকে থামানো দরকার। আর সংবাদ মাধ্যমগুলোকে বলছি আমাদের দেশেও বিজ্ঞান নিয়ে কমবেশি ছোটখাট কাজ হয়। সেগুলোকে হাইলাইট করুন। চটি সাইটগুলোর মত রগরগে চটচটে এইসব ধুমধাম আবিষ্কারের পেছনে আর কত দৌড়াবেন? কবে বুঝবেন যে বিজ্ঞান মানে সিস্টেমাইজড রিসার্চ করে আহরিত জ্ঞান, যার পেছনে লজিকাল সাপোর্ট থাকতে হবে।  বিজ্ঞান আসমান থেকে নাজিল হয় না, বিজ্ঞান স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ না। পারলে কিছু টাকা বেতন দিয়ে ভাল বিজ্ঞানে শিক্ষিত লোককে বিজ্ঞান বিষয়ক রিপোর্টার বানান।

 

(বুয়েটের ভাইয়ার লেখাটা আরো ডিটেইলস পড়তে চাইলে সচলায়তনের এই লিংকে যেতে পারেনঃ সচল)

 

 

মিজানুর রহমান পলাশ সম্পর্কে

এখানে রাত্রি নামে, উড়ে যায় সাদা বক/ জোনাক পোকায় চড়ে স্বপ্ন আলো/ দেখেনা সে মালতী লতা, পলাশ ফুলের শোভা/ কিশোরীর কালো চোখ, আধার কালো !/
এই লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ-এ। স্থায়ী লিংক বুকমার্ক করুন।

2 Responses to শহিদুলের অসীম হেকমতি বিদ্যুৎ আর আমাদের বিজ্ঞান শিক্ষার বাস্তবতা

  1. রুহশান আহমেদ বলেছেনঃ

    স্কুল কলেজের সায়েন্স ফেয়ার টাইপের অনুষ্ঠানে একসময় এই ধরনের ছদ্মবিজ্ঞানময় প্রজেক্টের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। পোলাপানের বালখিল্যতা খুব একটা দোষের কিছু না, বুদ্ধি আর প্রচেষ্টা থাকলে একসময় ব্যপারগুলা বুঝতে পারবে। কিন্তু হায়! এই বুদ্ধি সকলের হয়না, যাদের হয় তারাও কেউ কেউ ছড়ায়না। আর শহিদুলের মত ‘জাতীয় প্রতারকের’ উত্থান চলতেই থাকে। এরা শেষপর্যন্ত কই যায় জানা নাই, কিন্তু চামে দিয়া যাদের ওয়েবসাইটে হিট দরকার কামায় নেয়, যাদের প্রতিষ্ঠানের পাবলিসিটি দরকার বানায় নেয়, যার ক্যামেরায় ফেস দেখানি দরকার দেখায় নেয়।

  2. লিলিপুট বলেছেনঃ

    ভাল লেখা, কিছু সাজেশন

    ১। একেবারে আমজনতা মানে যাদের বিজ্ঞান তেমন জানা নাই তাদেরকে বোঝানোর জন্য শক্তির নিত্যতা সূত্র কিংবা প্রথম সূত্রটা একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যায়? তাহলে এটার ফলাফল আরো ভাল হবে আশা করি
    ২। কোনভাবে কি খোঁজ নেওয়া যায় ডঃ শমসের আলী এখানে কিভাবে ইনভল্ভ? উনার এই ব্যপারে একটা ব্যাখ্যা যোগাড় করা কি সম্ভব?
    ৩। লেখাটাতে স্যাটায়ার করতে গিয়ে উপস্থাপিকাকে নিয়ে বাজে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, শাহিদুলের চোট্টামি কিংবা আমাদের চারিত্রিক অধঃপতন বোঝানোর জন্য সেটার আদৌ কোন দরকার ছিল কিনা লেখককে ভেবে দেখার অনুরোধ রইল

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।