ফেব্রুয়ারী 19, 2012

পরীক্ষার সূত্রসমগ্র

যে একটা বিষয় নিয়ে সব সাধারণ শিক্ষার্থী প্রচন্ড আতঙ্কে থাকে, তার নাম পরীক্ষা। পরীক্ষা এলে রাতের ঘুম আর পেটের ক্ষুধা হারাম হয়ে যাওয়াটা তো খুব স্বাভাবিক ব্যপার।

বিভিন্ন জ্ঞানী ব্যক্তিরা বিভিন্ন রকম সূত্র লিখে গিয়ে পড়ালেখার জীবন ত্যানাত্যানা করে ফেললেও, পরীক্ষা নামক গজব নিয়ে কোন সূত্র আমরা পাই নি। পরীক্ষা বিষয়ক এমন কিছু অপ্রকাশিত সূত্র, যা প্রকাশিত হয় 'এনসাইক্লোপিডাইয়া এক্সামিয়া' বইয়ে।

সূত্র ১: প্রশ্নের কাঠিন্য শিক্ষকের বোঝানোর ক্ষমতার ব্যস্তানুপাতিক।

সূত্র ২: সাধারণ ছাত্রদের জন্য, নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা এবং পরীক্ষা ভালো হওয়া, দুইটি কখনোই একই সাথে নিশ্চিত করা যায় না। একটি নিশ্চিত হলে, অপরটি শংকায় পড়ে যায়।

সূত্র ৩: পরীক্ষার আগের দিন এবং রাতের পড়ার পরিমাণ সারা সেমিস্টারে পড়ার পরিমাণের অন্তঃত অর্ধেক।

সূত্র ৪: শিক্ষকের বোঝানোর ক্ষমতা তার ভাবের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

সূত্র ৫: পরীক্ষার পূর্বে ছুটি (preparetory leave) যতদিনই থাকুক না কেন, শেষ ২-৩ দিনই পড়া হবে।

সূত্র ৬: পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীর ধার্মিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অন্যান্য সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ।

সূত্র ৭: পরীক্ষার আগের রাতে বলা সবচেয়ে কমন কথা: "ইশ! আরেকটা দিন যদি পাইতাম।"

সূত্র ৮: পরের টার্মে ভালো করার প্রতিজ্ঞার দৃঢ়তা, চলতি টার্মে পরীক্ষা খারাপের

সমানুপাতিক।

সূত্র ৯: রেজাল্ট সম্পর্কে চিন্তাভাবনা, অবশিষ্ট সেমিস্টার সংখ্যার সমানুপাতিক।

সূত্র ১০: পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন কমন না পড়া শিক্ষার্থীর 'টাইম ডাইলেশন' হয়, অর্থ্যাৎ, পরীক্ষার ৩ ঘন্টা সময় তার কাছে অসীম বলে মনে হয়।

উপরিউক্ত সূত্রগুলোর ব্যাতিক্রম দেখা যায় যে সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাদের 'আঁতেল' বলে।

31 comments on “পরীক্ষার সূত্রসমগ্র”

সৌমি শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Copyright 2019