Category Archive: সাহিত্য

পরিচয়

-আমি আর্কিটেকচার বিল্ডিঙের সামনে, আপনি? -আমি কাছাকাছি। আসছি। -(কিঞ্চিৎ বিরক্ত কণ্ঠে) আপনি কোথায়? -আমি পাঁচ মিনিটের ভেতরেই আসছি। একটু অপেক্ষা করুন। রাস্তা পার হয়ে ব্যাংকের গেটের সামনে আসতেই তাকে আবারও ফোন দিলাম। সে ক্যাম্পাসে প্রথম এসেছে। তাই সব বিল্ডিং, সব গেট ঠিকমত চেনে না। -আপনি কোথায় আছেন এখন? -আপনি কোথায় আছেন সেটা বলুন। আমিই আসছি। …

Continue reading »

ইতস্তত বিপ্লবী ৪ : একটি বৃষ্টি বিড়ালের চোখ

[ আগের পর্ব তিনটি না পড়েও যদি কেউ এই পর্বটি পড়ে থাকে, একটা নতুন গল্প হিসেবেই বুঝতে পারবে কাহিনী, তেমনভাবেই লিখা হয়েছে এই পর্ব। কিন্তু পরিপূর্ণ স্বাদের জন্য আগের তিনটি পর্ব পড়া আবশ্যক। নাহলে পড়ার আনন্দ কিছুটা মাটি হবেই। এই পর্ব পড়ার আগে পাঠকের সুবিধার্থেই আগের তিনটি পর্ব আগে পড়ে আসার অনুরোধ রইল। নিচের লিঙ্কগুলোতে পাওয়া …

Continue reading »

ছুটে চলা…

গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করলাম বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল। সময় খুব দ্রুত কেটে যাচ্ছে। ফোর্থ ইয়ারের শেষ দিকে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ল্যাব প্রোজেক্ট আর থিসিসের চাপে যখন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছিলাম না, তখন নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিচ্ছিলাম, ‘এই তো আর কয়েকটা দিন।’ তারপর র‍্যাগের প্রোগ্রামগুলো একের পর এক চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। …

Continue reading »

শূন্য থেকে এক: উদ্যোগ নিয়ে কথা কিংবা ভবিষ্যৎ গড়ার নিয়মকানুন – ১

[পিটার থিয়েলের ‘জিরো টু ওয়ান’ বই থেকে অনূদিত] যে কারো চাকরির সাক্ষাৎকার নেয়ার সময়ে তাকে নিশ্চিতভাবে যে প্রশ্নটা আমি করি: “এমন কী আছে যা খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার ব্যাপারে খুব সীমিত সংখ্যক মানুষ আপনার সাথে একমত হয়?” প্রশ্নটা সোজাসাপ্টা হওয়ার কারণে শুনতেও সহজ মনে হয়। তবে আসলে এর উত্তর দেয়া খুব কঠিন। বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে …

Continue reading »

কাছের মানুষ

বিরক্তিতে ভ্রূ কুঁচকে তাকালো আকাশ। পেছন থেকে পাঞ্জাবির কোণায় হ্যাঁচকা টান পড়েছে। মেজাজ আগে থেকেই চড়ে ছিলো। রিকশাওয়ালা ভাড়া নিয়ে অযথা তর্ক করেছে। এখন নোংরা ছেড়া হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটাকে দেখে বিরক্তিটা আরও বাড়লো। ঢাকা শহরে এদের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। দেখতে দেখতে আর সমবেদনাও জাগে না। গরম চোখে ছেলেটার দিকে চাইলো সে। চোখ দিয়েই …

Continue reading »

লিবারেল আর্টস শিক্ষার প্রসার কেন প্রয়োজন

[ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের এক্সপার্ট ডেভিড কাল্টের লেখা থেকে অনূদিত। কাল্ট Reverb.comএর প্রতিষ্ঠাতা, শিকাগো মিউজিক এক্সচেইঞ্জের মালিক এবং অপশন্সএক্সপ্রেস নামের অনলাইন ব্রোকারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সিইও।] দিন দিন যেভাবে ভালো মানের কম্পিউটার প্রোগ্রামার আর প্রকৌশলীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে যে কারো এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক যে আমাদের আসলেই আরো বেশি বেশি কম্পিউটার বিজ্ঞান আর প্রকৌশলের ছাত্র …

Continue reading »

অন্য (বিজ্ঞান কল্পকাহিনী)

মার্স আন্ডারগ্রাউন্ড হিউম্যান সেটেলমেন্ট- সেক্টর ৭০৪: সেক্টর ক্যাপিটাল সিচুয়েশন-রুমের মাঝখানে গোল টেবিলটা। তার চারপাশে সব মিলিয়ে দশ জন বসার মতো চেয়ার রয়েছে। এর বেশি আর তেমন কোনো আসবাব নেই ঘরে। তাতেই মনে হচ্ছে ঘরে দম ফেলার জায়গা ফুরিয়ে এসেছে। মাটির তলায় বসবাস করতে থাকায় অতিরিক্ত জায়গা ব্যবহারের বিলাসিতা থেকে সরে এসেছে মঙ্গলের সমাজ। পুরো মঙ্গল …

Continue reading »

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র ‘লালসালু’ এবং বিশ্বাসের চোখ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র ‘লালসালু’ পড়েছেন? এটার ইংরেজি অনুবাদের টাইটেলটা আমার বেশ পছন্দ – Tree without Roots. বেশিরভাগ লেখকের কাছে গল্প মানে ঘটনার আড়ম্বর, কিন্তু ওয়ালীউল্লাহ্ লিখেছেন ঘটনাহীন জীবনের কাহিনী। ভীষণ ভাবে বাস্তব তার উপন্যাস। চোখ থাকতেও আমরা যেমন দেখি না, ভয় আমাদের হৃদয়কে আচ্ছন্ন করে রাখে। বাস্তবতা ক্রমশ অবাস্তব হয়ে ওঠে, আর অবাস্তবতা বাস্তব। ‘লালসালু’ উপন্যাসে …

Continue reading »

সামিরা’পুর ফুড স্পেশাল সরব আড্ডা

শুধু খেতে হয় বলে খাই নাকি আড্ডা দিতে হয় বলেও? এই তো গেলো শুক্রবারে সামিরা’পুর হাতের রান্না খাবার লোভে অনেক দিন পর সরব পরিবার আড্ডায় সরব হলো সামিরা’পুর মায়ের বাসায়। এই ফাঁকে বলে রাখি জাকির ভাইয়া বলেছিলেন যে সরব সদস্য সবার আগে আসবে, সে একটা চকোলেট পাবে উপহার হিসেবে। আমি এখনো আমার প্রাপ্য বুঝে পাই …

Continue reading »

সহসা

হিমছড়ির সূর্যটাকে হঠাৎ মনে পড়ল। মেরিন ড্রাইভ রোড ধরে আমাদের গাড়ি ছুটে চলছিল। দুচোখ ভরে যতখুশি সমুদ্র দেখে নাও। গাড়ির মধ্যে গোটাপাঁচেক মানুষের মুখে কোন কথা নেই। একবার মনে হল, এই পথের কি কোন শেষ আছে! পরমুহূর্তেই মনে হল, কি ভাবছি! পথ শেষ না হলেই তো ভাল। দুচোখ যেমন সমুদ্রের মাঝে ডুবে আছে, তেমনি ডুবে …

Continue reading »

Older posts «